ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানিছবি: সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ছাড়া এ বিষয়ে ওয়াশিংটন থেকে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ট্রাম্পও অবশ্য কারো নাম উল্লেখ করেননি; তিনি কেবল অস্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, একজন শীর্ষ নেতাসহ আরও একজন নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প বরং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তা না করায় তার ন্যাটো মিত্রদের ভর্ৎসনা করতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন।

হোয়াইট হাউসের অন্য কোনো কর্মকর্তা বা মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যদের কাছ থেকেও তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি—অন্তত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নীরবই দেখা গেছে। তবে অতীতে ট্রাম্প বলেছিলেন যে, ইরান তার সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু তিনি আসলে কার সঙ্গে কথা বলবেন বা আলোচনা করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন যে, এখনই সেই চুক্তিতে যাওয়ার বা আলোচনা করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।

অন্যদিকে ইরান ঠিক উল্টো দাবি করেছে এবং চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যখন এই সংঘাত থেকে বের হয়ে আসার—যাকে অনেকে ‘অফ-র‍্যাম্প’ বা প্রস্থানের পথ বলছেন—উপায় খুঁজবে, তখন হয়তো লারিজানির মতো কাউকেই খোঁজা হবে, বা আলোচনার জন্য তার প্রয়োজন অনুভূত হবে।

কিন্তু ইসরায়েল যেভাবে একের পর এক প্রভাবশালী নেতাকে হত্যা করছে বা লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, তাতে প্রশ্ন জাগে—ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যখন আলোচনার জন্য প্রভাবশালী কাউকে খুঁজবে, তখন কি আদৌ এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে?

 সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই