ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানিছবি: সংগৃহীত

কুইন্সি ইনস্টিটিউটের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ত্রিতা পার্সি মনে করেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত করা এবং যুক্তরাষ্ট্র যাতে সময়ের আগেই এই যুদ্ধ থেকে সরে না যায়, তা নিশ্চিত করতেই ইসরায়েল কৌশলগতভাবে লারিজানিকে হত্যা করেছে। আল জাজিরাকে পার্সি বলেন, “এই যুদ্ধ যত দিন সম্ভব চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েলিদের পুরোপুরি স্বার্থ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়ানোর জন্য তারা ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চেষ্টা করছে—নেতানিয়াহু নিজেই ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে এই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “অবশেষে যখন তাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, তারা এখন খুবই সতর্ক থাকবে যাতে ইসরায়েলের স্বার্থ অর্জিত হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধটি শেষ না করে দেয়। তাই তারা যতটা সম্ভব এই যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য চাপ দিতে থাকবে। আর এই হত্যাকাণ্ডগুলো হয়তো সেই পরিকল্পনারই অংশ।”

এই বিশ্লেষক বলেন, ইসরায়েল ইরানকে “কয়েক দশক পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে” এবং এরপর ইরানে কী ধরনের সরকার ক্ষমতায় আসবে, তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

পার্সি যোগ করেন, “তাদের মূল লক্ষ্য হলো এটি নিশ্চিত করা যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের একাধিপত্য বিস্তারের পথে ইরান যেন কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে না পারে। তাদের দৃষ্টিতে সেই লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে, যদিও এই যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজের কোনো কৌশলগত লক্ষ্যই অর্জন করতে পারছে না।”

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই