মার্কিন বিচার বিভাগের (DOJ) তদন্ত সংক্রান্ত ফাইলে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে নাবালিকার সঙ্গে যৌন সংসর্গের দায়ে এপস্টাইনের সাজা হওয়ার পরও ম্যানডেলসন তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। তবে বর্তমানে ম্যানডেলসনের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো, তিনি প্রয়াত এই বিতর্কিত ধনকুবেরের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন এবং শেয়ার বাজারের সংবেদনশীল গোপন তথ্য তার কাছে পাচার করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যৌন কেলেঙ্কারি ও পাচারের অভিযোগে দ্বিতীয়বার বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগেই কারাগারে আত্মহত্যা করেন এপস্টাইন। বৃহস্পতিবার, এপস্টাইনের সঙ্গে ম্যানডেলসনের সম্পর্ক জানা সত্ত্বেও তাকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের জন্য এপস্টাইনের শিকারদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। ....