একদিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।এ সময়ে হামে ৮৬ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।... ....
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।এ সময়ে হামে ৮৬ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।... ....
বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা এবং মৃত্যুর হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন, শিশুদের সময়মতো দুই ডোজ টিকা না দেওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, টিকা ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, অবহেলা বা ঘাটতির কারণে এমন প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে ঠেকানোর জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে পাঁচ শিশুর মৃত্যু এবং ১ হাজার ১১৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১২৭ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে এবং ৯৮৮ জনকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ৩৭ জনের মৃত্যু এবং উপসর্গ নিয়ে ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ২১ হাজার ৪৬৭ জনের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৯৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, এবং ৩ হাজার ১৯২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ....
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে মারা গেছে ৩ শিশু এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩১৫ জন। এতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীর চাপ বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে।... ....
হাসপাতাল সূত্র মতে, চলতি মার্চ মাসেই সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত চার শিশুর মধ্যে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে একজন করে এবং চলতি মার্চ মাসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুরা হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মারিয়া ও সাইফা, নাচোল উপজেলার তনিমা এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ইমাম মাহমুদ। ....
সম্প্রতি দেশে শিশুদের মধ্যে জ্বর ও শরীরে র্যাশ নিয়ে হাসপাতালে ভিড় বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, এসব শিশুর অনেকেই হাম রোগে আক্রান্ত। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এবং কিছু শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা অভিভাবক ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা রুবেলা ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়। সাধারণত উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে রোগের লক্ষণ শুরু হয়। জ্বরের তিন থেকে চার দিনের মধ্যে মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র্যাশ দেখা দেয়। এই ভাইরাস শ্বাসনালীর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল করে দেয়, ফলে অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ....