বিএনপি
স্থানীয় নির্বাচন।ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশজুড়ে আবারও ভোট উৎসবের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব প্রার্থীরা নির্বাচনে লড়াই করার বার্তা দিচ্ছেন। পাশাপাশি দলীয় সমর্থন পেতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ও সদ্য নিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারে দ্বারে ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যাচ্ছেন। তবে বিএনপি নেতারা স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা বলছেন না। যদিও ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার দুটিসহ ৬টি সিটি করপোরেশনে নতুন করে প্রশাসক বসানো হয়েছে। তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অফিস করা শুরু করেছেন।

এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের অফিস ও বাসায় ভিড় করছেন জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা। 

গত সপ্তাহ ধরে রাজধানীর সচিবালয় বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। মরন প্রত্যাশী নেতারা ঢাকায় এসে তদবির শেষে প্রয়াত দলীয় প্রধানের মাজার জিয়ারত করতে ভুলছেন না।

তবে কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে এই বিষয়ে বিএনপি নেতারা কেউ মুখ খুলছেন না। 

যদিও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়নের সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তিনি ঠিক কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে গণঅভ্যূত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৮ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৪৯৩ উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ৩২৩ জন পৌর মেয়রসহ ৮৭৬ জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে, মৃত্যুজনিত কারণে নাটোর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে খালি হওয়া ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।