
ইরান যুদ্ধের জেরে পদত্যাগকারী ট্রাম্পের সহযোগী জো কেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে নিয়োজিত সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার তদারকির দায়িত্বে ছিলেন—যা বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। তিনি সাবেক স্পেশাল ফোর্সেস সেনাসদস্য এবং ট্রাম্প ও তার ‘ম্যাগা’ (MAGA) শিবিরের এতটাই একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন যে, ৬ জানুয়ারির দাঙ্গাকারীদের তিনি ‘রাজনৈতিক বন্দী’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিবেকের তাড়নায় তিনি ইরানে চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছেন না। তিনি বলেন, “আমি পরবর্তী প্রজন্মকে এমন এক যুদ্ধে লড়াই করতে এবং প্রাণ দিতে পাঠাতে পারি না, যা আমেরিকান জনগণের কোনো উপকারে আসে না এবং আমেরিকানদের প্রাণের বিনিময়ের কোনো যৌক্তিকতাও প্রমাণ করে না।” যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে টেনে আনার জন্য তিনি সরাসরি ইসরায়েলকেও অভিযুক্ত করেছেন।
ট্রাম্পের সমর্থকগোষ্ঠীর ‘ম্যাগা’ অংশ থেকেও এখন এমন কিছু ভিন্নমত শোনা যাচ্ছে। তারা বলছেন, “অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর জন্য আমরা আপনাকে সমর্থন দিইনি। আমরা ভেবেছিলাম আপনি আমাদের এসব থেকে দূরে রাখবেন।” এই বিষয়টি নিয়ে তারা বেশ অস্বস্তিতে রয়েছেন।
‘ম্যাগা’ সমর্থকরা বিষয়টিকে কীভাবে নিচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আগামী শরতে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশি যুদ্ধ থেকে দূরে রাখার আশায় যারা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের হতাশ হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়বে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



