
আলী লারিজানিকে হত্যার পর সঙ্কটে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির কাছাকাছি থাকা গণমাধ্যমকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতায় গত রাতটি ইসরায়েলের জন্য অত্যন্ত কঠিন। ইরান থেকে একের পর এক ধেয়ে আসা ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র ও মিসাইল হামলার কারণে দেশজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ব্যাপবভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশটির নিরাপত্তা ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা।
এবার তেল আবিবের খুব কাছেই হামলায় দুই ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মিসাইলের সরাসরি আঘাতের ফলে তাদের অ্যাপার্টমেন্টে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছিল। তাদের বাড়িতে নিরাপদ কক্ষ (সেফ রুম) থাকলেও সেখানে আশ্রয় নেওয়ার মতো যথেষ্ট সময় তারা পাননি।
এ বিষয়টি নিয়েই এখন ইসরায়েলিরা প্রশ্ন তুলছেন: “মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে কেন আগেভাগে সাইরেন বাজানো হচ্ছে না?” বিভিন্ন মহল আগেও এ নিয়ে আলোচনা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের ক্রমাগত হামলার কারণে হয়তো ইসরায়েলি রাডারগুলোর সক্ষমতা কমে গেছে। ফলে ইরান থেকে মিসাইল উৎক্ষেপণের সঠিক সময় বা আগেভাগে তা শনাক্ত করতে রাডারগুলো ব্যর্থ হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



