ইরান, ট্রাম্প, খোমেনি, ইসরায়েল
ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের মিসাইল হামলার দৃশ্যছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত হামলায় একজন ইসরায়েলি নারী নিহত হয়েছেন এবং আরও ১২১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগেরই জখম গুরুতর নয়। ইসরায়েলের ওপর ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই প্রতিহত বা ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিব এবং জেরুজালেমের পশ্চিমে ‘বেইত শেমেস’ শহরে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কালকিলিয়ার কাছেও ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এটি কি কোনো রকেটের অবশিষ্টাংশ নাকি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর মিসাইল—যা অবৈধ ইসরায়েলি বসতি রক্ষা করতে গিয়ে ফিলিস্তিনি এলাকায় এসে পড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এটি সর্বজনবিদিত যে, ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা কেবল ইসরায়েলি নাগরিকদেরই (এমনকি অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসবাসরত অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদেরও) সুরক্ষা দেয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জন্য এই ব্যবস্থায় কোনো সুরক্ষাই নেই। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হয়তো ক্ষেপণাস্ত্রটিকে তাদের বসতি এলাকা থেকে সরিয়ে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর আগে শনিবার সকালে অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ‘বেইত সাহুর’-এ এক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

এটি মূলত ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান একটি যুদ্ধ। কিন্তু এর মাঝখানে ফিলিস্তিনিরা সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় সামরিক দখলদারিত্বের নিচে দিন কাটাচ্ছে। সারা দিন ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে হেব্রনের কাছে ইসরায়েলি বাহিনী এক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এমনকি ইসরায়েলে যখন রকেট হামলা চলছে, তখনও দেখা যাচ্ছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের ওপর তাদের হামলা অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই