
ঢাকা-১৫ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের বিরুদ্ধে মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের ‘ভুয়া’ প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
হলফনামায় নিজেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার ঘোষণা দেওয়া মিল্টন কখনোই মনিপুর স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন না বলেও দাবি করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে মনিপুর স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যালয়ের সংরক্ষিত শিক্ষার্থী নথি, মূল রেজিস্টার ও এলামনাই ডাটাবেজ যাচাই করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উক্ত ব্যক্তির নাম কখনোই মনিপুর স্কুলের কোনো ব্যাচের শিক্ষার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হয়েও এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত অনৈতিক ও দুঃখজনক। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম এভাবে ব্যবহার করা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি প্রকৃত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, "আমরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছি যে, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের সাথে মনিপুর স্কুলের কোনো শিক্ষা জীবনের সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর পরিচয় দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য আমরা তাকে জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।"
ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যাচার বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় অপব্যবহারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছে সংগঠনটি। এই বিষয়ে সচেতন থাকতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ নাগরিক ও গণমাধ্যমকেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।



