খেলা, ক্রিকেট, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওয়ানডে,
নাহিদের অগ্নিঝরা ফাইফারের পরে উদযাপন।ছবি: সংগৃহীত

মিরপুরে বল হাতে যেন আগুন ঝরাচ্ছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। পাকিস্তানের ইনিংসের প্রথম পাঁচটি উইকেটই তুলে নিয়ে দুর্দান্ত এক ফাইফার পূর্ণ করেছেন তিনি। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই এই কীর্তি গড়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট শিকার করেন এই ডানহাতি গতিতারকা।

২২.১ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৭৭ রান। নাহিদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে শুরুতেই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার।

নতুন বলে শুরুটা অবশ্য করেছিলেন অভিজ্ঞ দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। তারা মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেটের দেখা পাননি। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারেই স্পিন আক্রমণে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং নিজেই বল হাতে নেন। তবে সেখান থেকেও আসে না কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে বল তুলে দেওয়া হয় নাহিদ রানার হাতে। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

এরপর যেন একাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন নাহিদ। নিজের পরের চার ওভারের প্রতিটিতেই তুলে নেন একটি করে উইকেট। তার শিকার হন শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। নাহিদের এই ধারাবাহিক আঘাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট উৎসবে যোগ দেন অধিনায়ক মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ করিয়ে ফেরান তিনি। এরপর ২৩তম ওভারে হোসাইন তালাতকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে আরও একটি উইকেট তুলে নেন মিরাজ।

ফলে মাত্র ৭৭ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।

আরবিএ/আরটিএনএন