
নতুন মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৫০ সদস্যের। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে আনা–নেওয়ার জন্য ৪৯টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের ফোন করে শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তাঁকে শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
আজ বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। যারা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তাঁদের একে একে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এহছানুল হক মিলন ২০০১ সালে খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। একই আসন থেকে এবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ আসনে জয় পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে আজ সকালে সংসদ ভবনে শপথ নেন। তাঁরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বলে জানা গেছে।



