
প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, পর্যবেক্ষকরা জানতে চেয়েছে জামায়াত কোথাও কোনো বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে কি না। আজ ও কাল আরও কয়েকটি বিদেশি টিম আমাদের কার্যালয়ে আসবে। ইউকে, তুর্কিসহ কয়েকটি দেশও সময় চেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোট দিতে মানুষ ঢাকা থেকে বাড়ি যাচ্ছে, কিন্তু কোথাও কোথাও বাস ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের এজেন্টদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে, নির্বাচনী অফিসে আগুন দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ইসি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।
জুবায়ের জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দলটি জামায়াত আমিরের সঙ্গে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সাক্ষাৎ করেন। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলেছে। বৈঠকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, নির্বাচনী সহিংসতা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং ইসির পক্ষপাতিত্বের কোনো আশঙ্কা আছে কি না এসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দলটি দুপুর পৌনে ১২টায় কার্যালয় ত্যাগ করে।
জুবায়ের বলেন, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেষ হয়েছে। এরপর এই বৈঠককে আমরা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক সংক্রান্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ১৬ সদস্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে নির্বাচন, ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি এবং জামায়াতের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।



