
ঈদের লম্বা ছুটিতে শহরের কোলাহল থেকে দূরে ঘুরে সময় কাটাতে চাইলে রাজধানীর আশপাশের কিছু জনপ্রিয় স্থান ঘুরে দেখা যায়। এখানে সেসব দর্শনীয় স্থানের সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হলো—
১. আহসান মঞ্জিল: বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত নবাবদের প্রাচীন আবাসিক ভবন। পরিবারসহ নবাবদের আভিজাত্য উপভোগের জন্য আদর্শ এটি।
২. বাংলার তাজমহল: সোনারগাঁয়ে অবস্থিত, ভারতের তাজমহলের প্রতিরূপ। মাত্র ১৫০ টাকার টিকিটে দর্শন সম্ভব।
৩. জিন্দা পার্ক: এটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে, পূর্বাচল হাইওয়ের কাছে। একদিনেই ঘুরে আসা যায়, পার্কের মধ্যে রেস্টুরেন্ট সুবিধা রয়েছে।
৪. গোলাপ গ্রাম: তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত, নদীপথ এবং ট্রলার ভ্রমণের মাধ্যমে দর্শনীয় স্থান।
৫. জল জঙ্গলের কাব্য: গাজীপুরের পুবাইলে গ্রামীণ পরিবেশ উপভোগের জন্য আদর্শ। খাবারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।
৬. পদ্মা রিসোর্ট: ঢাকা থেকে মাত্র ২ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। কটেজ, রেস্টুরেন্ট, রিভার ক্রুজ ও খেলার ব্যবস্থা রয়েছে।
৭. ড্রিম হলিডে পার্ক: নরসিংদীতে পরিবারসহ পিকনিক ও বিনোদনের জন্য উপযুক্ত। রাত কাটানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
৮. বালিয়াটি জমিদার বাড়ি: মানিকগঞ্জে অবস্থিত, বিশাল স্থাপনা এবং স্থাপত্য কারুকার্য দর্শনযোগ্য।
৯. যমুনা রিসোর্ট: টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার সীমান্তে। সুইমিং পুল, জিম ও অন্যান্য খেলার ব্যবস্থা আছে।
১০. বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিমে, দুর্লভ প্রাণী দেখা যায়।
১১. নিকলী হাওর: কিশোরগঞ্জে, বাস বা ট্রেনে শহরে পৌঁছে সিএনজিতে ঘাটে যেতে হবে। নৌকা ভাড়া করে ঘুরা যায়।
১২. নকশী পল্লী: পূর্বাচর বালু নদীর পাশে, নদীতে নৌকা ভ্রমণের সুযোগ।
১৩. মহেরা জমিদার বাড়ি: টাঙ্গাইলে, তিনটি স্থাপনা এবং খাঁচায় বিভিন্ন পাখি দেখা যায়।
১৪. মৈনট ঘাট: দোহার উপজেলায়, সমুদ্রের অনুভূতি পাওয়া যায়, পদ্মার ইলিশ এবং নৌকাভ্রমণ সম্ভব।
১৫. পানাম নগর: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, ঢাকার নিকটে ইতিহাসের সাক্ষী। প্রবেশমূল্য ১৫ টাকা। ইউরোপীয় ও মোঘল স্থাপত্যের মিশ্রণ দেখা যায়।
১৬. বাহ্রা ঘাট (মিনি পতেঙ্গা): দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীতে নৌকা ভ্রমণ।
১৭. আড়াইহাজার মেঘনার চর: নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য উপযুক্ত।
১৮. লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর: সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক স্থানে বাংলার কারুশিল্পের নিদর্শন দেখা যায়।
১৯. বড় সর্দার বাড়ি: সোনারগাঁয়ে ১৯ শতকের শেষের দিকে নির্মিত ঐতিহাসিক বাড়ি।
২০. বেলাই বিল: গাজীপুরে শাপলার গন্ধে নৌকাভ্রমণ উপভোগ করা যায়।
২১. বালু নদ: ঢাকার নিকটবর্তী, শান্ত পরিবেশে গ্রামের জীবনযাত্রার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
ঈদে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে এই স্থাপনাগুলো ঘুরে প্রকৃতির সঙ্গে মেলামেশা করা এবং শহরের ব্যস্ততা থেকে বিশ্রাম নেওয়া যায়।



