মধ্যপ্রাচ্য, ইরান
নিহত বাংলাদেশি কর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে আজ।ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাত জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। নিহতদের মধ্যে পাঁচ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে দেশে আনা হয়েছে এবং একজনকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে দাফন করা হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নিহত প্রত্যেক বাংলাদেশির পরিবারের জন্য সরকার ৩ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। অবশিষ্ট মরদেহগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত আবদুল্লাহ আল মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন। সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে যান মামুন। সবশেষ পাঁচ বছর আগে তিনি দেশে এসেছিলেন। তার স্ত্রীর নাম শারমিন আক্তার (৩০)। এ দম্পতির মাহেদী শেখ (৬) নামে একটি ছেলেসন্তান আছে।

জানা গেছে, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুন দগ্ধ হন। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৭ মার্চ স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিয়া‌দে চিকিৎসাধীন লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই হামলায় মোশাররফ হোসেন নামে আরেক বাংলাদেশি নিহত হয়েছিলেন, যার মরদেহ গত ২০ মার্চ দেশে আনা হয়।