
পদ্মা সেতু হয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার কোটি মানুষ তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। ভোর থেকেই ঢাকার মাওয়া টোল প্লাজার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায় যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে অন্যান্য বছরের মতো ছুটি শুরুর প্রথমদিনে টোল প্লাজার অভিমুখে বড় জটলা নেই।
পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক শেখ ইশতিয়াক আহমেদ জানান, সোমবার (১৬ মার্চ) মধ্যরাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মাওয়া দিয়ে পার হয়েছে ১০,৩৮০টি যানবাহন। এসময় টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা। তিনি বলেন, প্রতি মিনিটে ১০টি লেনে মোটরসাইকেলসহ ৪৫–৫০টি যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
যাত্রী চাপ মোকাবিলায় টোল প্লাজার সব বুথ পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে অতিরিক্ত লোকবল মোতায়েন রয়েছে। যানবাহনের বিশৃঙ্খলা রোধে নিরাপত্তাকর্মী বাড়ানো হয়েছে। মোটরসাইকেল লেন এক থেকে তিন এবং বড় যানবাহনের জন্য ইটিসি সহ ৭টি লেন সচল করা রয়েছে। টোল প্লাজার পাশে টয়লেট ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৫শ পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অপ্রতিকর ঘটনা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
এবারের ঈদযাত্রায় পূর্বপ্রস্তুতি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ায় টোল প্লাজার যানজট সামলানো সম্ভব হয়েছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের যাত্রা নিরাপদ ও দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এমআর/আরটিএনএন



