
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা ছাড়ার অগ্রিম ট্রেন টিকিট ইতিমধ্যেই শেষ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এবারও সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। তবে আসনের সীমিততা এবং যাত্রী চাপে স্টেশনে ভিড় সামলাতে এবং অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ কড়াকড়ি নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর জন্য সর্বোচ্চ ৩১,২৫৫টি আসন বরাদ্দ রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। ১৩ এপ্রিল থেকে ঈদের বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু হবে, প্রথম ট্রেন হিসেবে রাজশাহীগামী ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ ঢাকা ছাড়বে ভোর ৬টায়।
স্টেশনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে বাঁশের জিগজ্যাক পথ তৈরি করা হয়েছে। মোট ছয়টি পথের মধ্যে মূল যাত্রীদের জন্য চারটি, স্ট্যান্ডিং টিকিটের জন্য একটি এবং যাতায়াতের জন্য একটি পথ রাখা হয়েছে। প্রতিটি পথেই টিকিট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পরীক্ষা করা হবে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সহায়তায় বিনা টিকিটে প্রবেশ ঠেকানো হবে।
রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা হবে। জিআরপি, মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে ভিজিল্যান্স টিমও সক্রিয় থাকবে।
ঈদে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, দেওয়ানগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও পার্বতীপুর পর্যন্ত চলাচল করবে এই ট্রেনগুলো। এছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনার বড় স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে, যাতে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা যায়।
আরবিএ/আরটিএনএন



