মির্জা আব্বাস, নাসীর উদ্দীন পাটোয়ারী, জাতীয়, মামলা, সমন, বিএনপি, এনসিপি,
নাসীর উদ্দীন পাটওয়ারী।ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জাআব্বাসের দায়ের করা মানহানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অবমাননার মামলায় নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী- কে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারি করেছেন আদালত। তিনি এনসিপির- এর মুখ্য সমন্বয়ক।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত রোববার এ আদেশ দেন।

এর আগে রমনা থানার বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর নামে আদালতে মামলার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম (আমীর) বলেন, ‘আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে।’

মামলায় আবেদনে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় এ আসামি বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। কেবল তাই নয় নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পর আরও বেশি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন হুমকি প্রদান করছে।’

আশরাফুল ইসলাম সর্বশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে দেখতে পান, পাটোয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করার মাধ্যমে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের উদ্দেশ্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্বেচ্চা প্রণোদিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য  প্রকাশ করেছেন, যা সকল প্রকার শিষ্টাচার, সভ্যতা ও  রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাস এবং পাটওয়ারী একই আসন ঢাকা-৮ থেকে মনোনয়ন পান। আলোচিত এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির  প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখো মুখি হন বিএনপির মির্জা আব্বাস।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্বাস পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট। আর পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট।

আরবিএ/আরটিএনএন