
আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. তুহিন মালিক নতুন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর নির্বাচিত সদস্যদের সরকারি প্লট ও করমুক্ত গাড়ি গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁদের দলের একজন এমপিও নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি প্লট নেবেন না এবং বিনা ট্যাক্সের গাড়িতে চলবেন না।
একই সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে ড. তুহিন মালিক বলেন, এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৮৩ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি এবং তাঁদের মধ্যে সাতজন শতকোটি টাকার মালিক। তাঁর ভাষ্য, এ থেকে ধরে নেওয়া যায়, বিএনপির অধিকাংশ এমপিই কোটিপতি বা তার কাছাকাছি সম্পদের অধিকারী।
অন্যদিকে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর কয়েকজন প্রার্থীর হলফনামার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, হান্নান মাসউদের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা, নাহিদের ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা এবং হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
ড. তুহিন মালিক লেখেন, রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন ও ইতিবাচক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েই তিনটি দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই গরিব ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কষ্টার্জিত সম্পদের কথা বিবেচনায় রেখে বিপ্লবোত্তর সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী এসব দলের এমপিরা সরকারি প্লট ও করমুক্ত গাড়ি নেবেন না—এমনটাই জনমনে প্রবল প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, প্রচলিত ‘এমপিতন্ত্র’ ও ‘লুটতন্ত্র’ থেকে বেরিয়ে এসে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করার মধ্য দিয়েই নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হওয়া উচিত।



