
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রথমবারের মতো কারাগারে বা আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। দেশের ৭২টি কারাগারে গত সাত দিনে ৫ হাজার ৬৭ জন বন্দী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে নারী বন্দী ভোট দিয়েছেন ১৯৮ জন। ভিআইপি বন্দী ভোট দিয়েছেন ৫৬ জন।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ।
তিনি বলেন, ৩ ফেব্রুয়ারি ভোট দেন ১ হাজার ৫২১ জন বন্দী, ৪ ফেব্রুয়ারি ৯৮৮ জন, ৫ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ১৩৮ জন, ৬ ফেব্রুয়ারি ৪২০ জন, ৭ ফেব্রুয়ারি ৪৭১ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ভোট দেন ২৯৫ জন বন্দী এবং ৯ ফেব্রুয়ারি ভোট দেন ২৩৪ জন বন্দী।
সহকারী কারা মহাপরিদর্শক ফরহাদ আরও বলেন, এর মধ্যে নারী বন্দী ভোট দিয়েছেন ১৯৮ জন। এছাড়া ভিআইপি বন্দী ভোট দিয়েছেন ৫৬ জন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও কারাগারে থাকা ২৫ জন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ ৪৯ জন ভিআইপি বন্দী ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেন। তবে যেসব বিশেষ বন্দী ভোট দেননি, তাদের বিস্তারিত তালিকা এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানান এআইজি জান্নাত-উল-ফরহাদ।
কারা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের ৭২টি কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ৮৭ হাজারের কাছাকাছি। ভোট দেওয়ার জন্য তাদের মধ্যে নিবন্ধন করেন ৬ হাজার ৩১৩ জন। আবার ৩৫৩টি নিবন্ধন আবেদন নাকচ করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ৮৭ হাজার বন্দী থাকলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৫ হাজার ৯৬০ জন। তাদের মধ্যে আবার প্রায় ৩০০ জন নিবন্ধন করার পর জামিনে বাইরে আছেন।
আইন অনুযায়ী যোগ্য বন্দীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।



