
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পরস্পরবিরোধী বার্তা দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। কেন্টাকিতে এক জনসভায় তিনি বলেন, যুদ্ধ "জেতা হয়ে গেছে", কিন্তু "আমরা তো এখনই (যুদ্ধ) ছেড়ে যেতে চাই না, তাই না?" জরিপ অনুযায়ী টালমাটাল অর্থনীতি, অভিবাসন বিরোধী কঠোর পদক্ষেপ এবং ইরান সংঘাতের কারণে ট্রাম্প ও তার দলের রিপাবলিকানরা যখন চাপে রয়েছেন, ঠিক তখনই প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন যে, এ বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচন "অত্যন্ত, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।"
তার এই মন্তব্যের পরপরই মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানান, ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে সরবরাহে যে ধাক্কা লেগেছে এবং তেলের দাম যেভাবে বেড়েছে, তা কমানোর চেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ (১৭২ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বে।
রাইট জানান, দিনের শুরুতে ৩২টি দেশের জোট আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) যে ৪০ কোটি (৪০০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে, এটি তারই একটি অংশ। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে এই তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং পুরো সরবরাহ শেষ হতে প্রায় ১২০ দিন সময় লাগবে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে তেলের ট্যাংকারের ওপর হামলার কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, আর আমেরিকানরা এর প্রভাব হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এএএ-এর (AAA) তথ্যমতে, গত মাসে দেশজুড়ে গ্যালনপ্রতি গ্যাসের (পেট্রোল) গড় দাম ছিল ২.৯৪ ডলার, যা বুধবার একলাফে ৩.৫৮ ডলারে পৌঁছেছে।
সূত্র : দা গার্ডিয়ান
আরটিএনএন/এআই



