ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, লেবানন
লেবাননে ইসরায়েলি হমলার পরের দৃশ্যছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অবশেষে সেই পরিকল্পনাই নিশ্চিত করলেন, যা অন্যান্য ঊর্ধ্বতন ইসরায়েলি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছিল। এর মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননে লিতানি নদী পর্যন্ত একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরির উদ্দেশ্য স্পষ্ট হলো। কিছু জায়গায় এই নদীটি ইসরায়েল সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে, আবার অন্য কোথাও এটি দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ৩০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত।

ইসরায়েলিরা ব্যাপক আকারে বাধ্যতামূলকভাবে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ জারি করেছে, যা শুধু লিতানি নদীর দক্ষিণেই নয়, বরং আরও উত্তরে জাহরানি নদী পর্যন্ত বিস্তৃত। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলির জন্য আগে থেকে জারি থাকা আদেশের সাথে এই নতুন নির্দেশ মিলে বর্তমানে দশ লাখেরও বেশি লেবানিজ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

দক্ষিণ লেবানন জুড়ে চলমান ইসরায়েলি স্থল অভিযানের কথা বললে, গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিক স্থানে তৎপরতা দেখা গেছে। নাঘুরা শহর ও এর উত্তরের গ্রামগুলো থেকে শুরু করে উপকূলবর্তী এলাকা এবং একেবারে পূর্ব সীমান্ত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চলেছে।

খিয়াম শহরের ভেতরে ও আশেপাশে এখনও সংঘর্ষ চলছে। গত কয়েক ঘণ্টায় হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা খিয়ামের ডিটেনশন সেন্টারের কাছে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের উপর রকেট ব্যারেজ দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও, তারা সীমান্ত জুড়ে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি এবং উত্তর ইসরায়েলে সেনাদের ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে। সুতরাং, এটা স্পষ্ট যে, ইসরায়েলি এই স্থল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহ তাদের প্রতিরোধ অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই