
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল ফেলো হেলিয়েহ দৌতাঘি বলেছেন, ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। তার মতে, এই হামলাগুলো ইরানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা দুর্বল করার একটি সুপরিকল্পিত কৌশলেরই অংশ।
ইরান অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বোমা হামলা চালাচ্ছে। এর মধ্যে তেহরানের ‘ইরান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ও রয়েছে। গত সপ্তাহে এক বিমান হামলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ শামঘাদ্রি নিহত হন।
দৌতাঘি আল জাজিরাকে বলেন, বছরের পর বছর ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি এই হামলাগুলো একটি ‘ধারাবাহিক ও সুস্পষ্ট চক্রান্তকে’ সামনে এনেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো— ইরানের সেইসব দেশীয় সক্ষমতাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা, যা ঐতিহাসিকভাবে দেশটিকে তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাহায্য করেছে। দৌতাঘির শেয়ার করা ছবিতে তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিস ও শ্রেণিকক্ষে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



