ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল
যুদ্ধের ফলে যে সংকট তৈরী হয়েছে, তা বিশ্বজুড়ে বাজারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করছে।ছবি: সংগৃহীত

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালাইসিস-এর প্রধান বিশ্লেষক আনা মারিয়া জালার-মাকারউইচ বলেছেন, জ্বালানি বাজারের ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব পুরোপুরি নির্ভর করছে যুদ্ধটি কতদিন স্থায়ী হবে তার ওপর। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বিশ্বের এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এবং তেল ও তেলজাত পণ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ বিঘ্নিত হচ্ছে—যা বিশ্বজুড়ে বাজারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করছে।

আল জাজিরাকে তিনি বলেন, “এটি যত দীর্ঘ হবে, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা তত কঠিন হবে এবং আমরা চাহিদার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ব্যাঘাত দেখতে পারি।” জালার-মাকারউইচ আরও বলেন, ইউরোপ বেশ কিছুদিন ধরেই গ্যাসের বাজারে ‘বিপদ সংকেত’  দেখছিল, কিন্তু মহাদেশটি সেই সতর্কবার্তাগুলোকে উপেক্ষা করে এসেছে।

তিনি বলেন, “চার বছর আগে ইউরোপে আমরা বড়সড় সংকটে পড়েছিলাম; গ্যাসের বাজার তখন বিপর্যয়ের মুখে ছিল। আমরা গ্যাস খরচ কমিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার পথ খুঁজে পেয়েছিলাম। এখানে নবায়নযোগ্য শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কারণ আমরা দেখেছি তেল ও গ্যাসের বাজারে প্রচুর অস্থিরতা থাকে—যেকোনো যুদ্ধ, এমনকি যেকোনো আবহাওয়াগত পরিস্থিতিও এই বাজারকে তছনছ করে দিতে পারে।”

এই বিশ্লেষক একটি “স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান”-এর আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ভূ-রাজনীতি এবং আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বারবার প্রমাণ করেছে যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার কতটা ভঙ্গুর হতে পারে।

 

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই