
মার্কিন প্রশাসন ইরানের অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখল বা অবরোধ করার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, এই দ্বীপে কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করলে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য হবে।
অ্যাক্সিওসকে তথ্যপ্রদানকারী সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হোয়াইট হাউসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মনে করছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমাতে প্রাথমিকভাবে এক মাসের হামলা চালাতে হবে। এরপর খারগ দ্বীপ দখল করা হলে আলোচনার টেবিলে মার্কিন পক্ষের অবস্থান শক্ত হবে।
খারগ দ্বীপ ইরানের অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্রবিন্দু। দ্বীপটি দখল করতে গেলে মার্কিন সৈন্যদের সরাসরি বিপদে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে নৌবাহিনীর তিনটি ইউনিট অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে এবং আরও সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা যেকোনও সময় ওই দ্বীপটি দখল করতে পারি। পাইপলাইনগুলো ছাড়া সবকিছু ধ্বংস করা হয়েছে। সেনা মোতায়েন হলে সেটিও হবে, তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।”
সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, দ্বীপ দখল করলেও তেহরান ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে স্বীকৃতি দেবে তা নিশ্চিত নয়। অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি বলেন, “দ্বীপ দখল করলেও তারা অন্য প্রান্ত থেকে তেলের সরবরাহ বন্ধ করতে পারে। তাই স্থল অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।”
মার্কিন সেনারা ইতিমধ্যেই খারগ দ্বীপের কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে। আগামী কয়েক দিনে ২,৫০০ সদস্যের মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স সেখানে পৌঁছাবে, এবং আরও দুটি সমমাপের ইউনিট রওনা হয়েছে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস।



