
উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে, বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাতভর বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, আজ ভোরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল।
কুয়েত জানিয়েছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখোমুখি হচ্ছে এবং প্রতিরক্ষামূলক পাল্টা ব্যবস্থার সময় সেখানে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে দেশটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এতে একটি গুদামে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ (শ্র্যাপনেল) পড়ে আগুন ধরে যায়।
যুদ্ধের নতুন ধাপে ইরান জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ঘোষণা দেওয়ার পর, কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন তাদের 'মিনা আল-আহমাদি' তেল শোধনাগারটি বন্ধ ঘোষণা করেছে। চলমান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামোর তালিকায় এটি নতুন সংযোজন। সংস্থাটি আরও জানায়, আজ সকালে কুয়েত ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানির অধীনস্থ একটি শোধনাগারে একাধিক ড্রোন হামলা চালানো হয়, যার ফলে এর বেশ কয়েকটি ইউনিটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
সৌদি আরব জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর থেকে তারা ২০টিরও বেশি ড্রোন আটকে দিয়েছে (ইন্টারসেপ্ট করেছে) এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আকাশে একাধিক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। চলমান অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ঘোষণা করেছে যে, ঈদের নামাজ কেবল মসজিদের ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে। মুসলিম দেশগুলোর প্রচলিত ঐতিহ্যের বিপরীতে গিয়ে এবার খোলা মাঠে ঈদের কোনো জামাত অনুষ্ঠিত হবে না।
এদিকে কুয়েত ঘোষণা করেছে, বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই বছর ঈদের নামাজের জন্য তাদের প্রধান মসজিদ বা গ্র্যান্ড মসকে মুসল্লিদের সমাগম করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



