ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি হত্যার পেছনে থাকা "অপরাধী খুনিদের" শিগগিরই এর মূল্য দিতে হবে।

বুধবার (১৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে খামেনি বলেন, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব লারিজানি, তার ছেলে এবং কয়েকজন সহকর্মীর হত্যার খবর তিনি "গভীর শোকের সঙ্গে" গ্রহণ করেছেন।

লারিজানিকে ‘জ্ঞান, দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে খামেনি বলেন, রাজনৈতিক, সামরিক, নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ দশকের সেবা তাকে একজন "বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বে" পরিণত করেছিল।

খামেনি উল্লেখ করেন, ‘লারিজানির হত্যাকাণ্ড "তার গুরুত্ব এবং ইসলামের শত্রুদের তার প্রতি পোষণ করা শত্রুতার প্রমাণ দেয়।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এ ধরনের মানুষের রক্ত ঝরানো... আমাদের লক্ষ্যকে কেবল আরও শক্তিশালীই করবে।’

তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, "প্রতিটি রক্তের ফোঁটারই যথাযথ প্রতিশোধ নেওয়া হবে" এবং "এই শহীদদের অপরাধী খুনিদের শীঘ্রই এর চড়া মূল্য দিতে হবে।" ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে মার্কিন-ইসরায়েলি এক হামলায় লারিজানি নিহত হন। ওই হামলায় তার ছেলে মোর্তেজা, তার সহকারী আলিরেজা বায়াত, পরিষদের কয়েকজন কর্মী এবং দেহরক্ষীও প্রাণ হারান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৩০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব হামলায় প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্ববাজার ও বিমান চলাচল ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

আরটিএনএন/এআই