ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন মেরিন ও স্থলসেনাদের একটি অংশছবি: সংগৃহীত

প্রায় আড়াই হাজার নৌ ও স্থলসেনা এবং অন্তত একটি উভচর বা উভগামী আক্রমণকারী জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) এ তথ্য জানিয়েছেন। সামরিক পরিকল্পনার সংবেদনশীলতা বিবেচনায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৩১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট এবং উভচর জাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’র (USS Tripoli) কিছু অংশকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনা উপস্থিতির একটি বড় সংযোজন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটগুলো কেবল উভচর অবতরণ বা সাগর থেকে স্থলে হামলা চালানোর জন্যই প্রশিক্ষিত ও সজ্জিত নয়; বরং দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং দুর্যোগ মোকাবেলার মতো কাজেও তারা বিশেষ পারদর্শী।

যদিও এই মোতায়েন ওই অঞ্চলে সেনা সংখ্যায় একটি বড় বৃদ্ধি, তবে এর অর্থ এই নয় যে স্থল অভিযান আসন্ন বা আদৌ ঘটবে। সামরিক বাহিনী প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ৩১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট, ইউএসএস ত্রিপোলি এবং মেরিন সেনাদের বহনকারী অন্যান্য উভচর জাহাজ জাপানে ঘাঁটি গেড়েছিল এবং গত কয়েক দিন ধরে তারা প্রশান্ত মহাসাগরের পানিতে অবস্থান করছিল। তাদের বর্তমান অবস্থান ইরান উপকূল থেকে এক সপ্তাহেরও বেশি দূরত্বের পথ। অতিরিক্ত মেরিন সেনা মোতায়েনের এই খবরটি সর্বপ্রথম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশ করেছিল।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের রাজধানী তেহরানসহ সারাদেশ জুড়ে বিমান হামলা হয়েছে। কারাজ, ইসফাহান, তাবরিজসহ দেশের অন্যান্য শহর থেকেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমরা উত্তেজনা কমানোর ধারেকাছেও নেই।

ইরানি কর্মকর্তারা পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। এমনকি আইআরজিসি (IRGC) তাদের তথাকথিত সবচেয়ে উন্নত অস্ত্র—যার মধ্যে হায়দার ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত—ব্যবহার করে ইসরায়েলি ভূখণ্ড এবং ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানোর কথা বলছে।

সূত্র : রয়টার্স ও আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই