ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি (উচ্চ গ্যালিলি) অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছেছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বশেষ দফার হামলায় ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি (উচ্চ গ্যালিলি) অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যেহেতু এলাকাটি লেবানন সীমান্তের লাগোয়া, তাই খুব সম্ভবত এটি হিজবুল্লাহর রকেট হামলা বলেই ধারনা করা হচ্ছে। এর আগের হামলাগুলো মূলত ইসরায়েলের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে চালানো হয়েছিল। এরই মধ্যে লদ (Lod) শহরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গিয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণের নেগেভ মরুভূমির একটি বেদুইন গ্রামেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

মধ্য ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কাছে শোহাম (Shoham) এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতির কথা জানা গেছে; সেখানে একটি ভবনে আগুন ধরে যাওয়ায় ৩০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে। তেল আবিবের দক্ষিণে রিশন লেজিওন  এলাকায় একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রাস্তায় একটি অবিস্ফোরিত গোলা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া হোলন ও ইহুদ এলাকা থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

বর্তমানে আমরা যেসব ক্ষয়ক্ষতির খবর পাচ্ছি, তার বড় একটি অংশের কারণ মনে হচ্ছে ইরানের ক্লাস্টার মিসাইল। গত এক সপ্তাহ ধরে ইরান নিয়মিতভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুড়ছে, যা বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

এই মিসাইলগুলো অসংখ্য ছোট ছোট বোমা (সাবমিউনিশন বা বম্বলেট) ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি ছোট বোমায় প্রায় আড়াই কেজি (৫.৫ পাউন্ড) বিস্ফোরক থাকে। ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যদি এগুলোকে আকাশে প্রতিহত করতে না পারে, তবে এগুলো ছড়িয়ে পড়ে কতটা ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে—তা সহজেই অনুমেয়।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই