ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন
লেবাননের বেকা ভ্যালিতে ইসরায়েলি হমলার পরের দৃশ্যছবি: সংগৃহীত

গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি কর্মকর্তারা লেবানন সরকারের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কড়া ভাষায় কথা বলেছেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "সরকার যদি হিজবুল্লাহর মোকাবিলা না করে এবং তাদের হামলা বন্ধ না করে, তবে আমরা লেবাননের ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেব।" প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও বলেছেন, লেবানন সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তারা কার্যত ‘আগুন নিয়ে খেলছে’।

এই সংঘাত শুরুর পর থেকেই লেবাননের প্রধানমন্ত্রী বারবার বলে আসছেন যে, তাঁর সরকার রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর মন্ত্রিসভা হিজবুল্লাহর সামরিক শাখাকে বেআইনি ঘোষণা করার মতো নজিরবিহীন সিদ্ধান্তও নিয়েছে। তবে তিনি এ কথাও বলেছেন যে, যুদ্ধ চলাকালীন এ ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর করা অত্যন্ত কঠিন।

এদিকে লেবাননের সেনাপ্রধান রডলফ হাইকালের অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। হিজবুল্লাহর প্রতি আপসমূলক বা নমনীয় আচরণের জন্য তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন। নিজের বিবৃতিতে হাইকাল জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সেনাবাহিনী যদি হিজবুল্লাহর মুখোমুখি হয়, তবে দেশে সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে বিভক্তি বা ফাটল দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সারমর্ম হলো, লেবাননের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা কার্যকর করতে চাইলেও, সেনাবাহিনী এ বিষয়ে অনিচ্ছুক এবং অত্যন্ত সতর্কভাবে পা ফেলছে।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই

আরটিএনএন/এআই