ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
বাংকারের তলদেশে ইসরায়েলি পরিবারছবি: সংগৃহীত

লাখ লাখ ইসরায়েলিকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে; হামলার সময় তাদের অনেককেই তড়িঘড়ি করে আশ্রয়কেন্দ্রের (শেল্টার) দিকে ছুটতে দেখা গেছে, এমনকি কখনো কখনো ঘর থেকে বের হয়ে সেখানে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত সময়টুকুও তারা পাননি, খবর আল জাজিরার।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হামলার আগেই মানুষকে সতর্ক করার সক্ষমতা কমে গেছে। এর ফলে ইরান থেকে ঠিক কখন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা আগেভাগে জানা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

রাতের বেলা কেবল ইরান থেকেই অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এর পাশাপাশি লেবানন থেকে আসা হুমকির কারণেও বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে। এমনকি লেবানন থেকে আসা কয়েকটি ড্রোন ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে দেশের অনেক ভেতরের এলাকাগুলোতেও পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

ইরান থেকে ছোঁড়া নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর হুমকি নিয়ে ইসরায়েল আগে থেকেই সতর্ক করে আসছিল, বিশেষ করে যেসব ক্ষেপণাস্ত্রে খণ্ডিত ওয়ারহেড (বোমা) রয়েছে—যা বিস্ফোরিত হওয়ার সময় টুকরো টুকরো হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েল আরও জানিয়েছে যে, হিজবুল্লাহ নতুন একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। দুই দিন আগে জেরুজালেমের নিকটবর্তী বেইত শেমেশে (যেখানে একাধিক সামরিক স্থাপনা রয়েছে) এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যা ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই