
জর্ডান যে কেবল ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে যাওয়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের যাত্রাপথেই অবস্থিত, তা নয়; এটি ইসরায়েলের ঠিক পাশের দেশও। গত রাতের মূল দৃশ্যই ছিল সাইরেন আর ক্ষেপণাস্ত্র, এবং ক্ষেপণাস্ত্র আর সাইরেন—যা ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। আর এটি মনে রাখা জরুরি যে, যখনই এসব সাইরেন বেজে ওঠে, ইসরায়েলিদের তখন নিরাপদ কক্ষে বা আশ্রিত স্থানে (শেল্টার) ছুটে যেতে হয়। জর্ডানের কয়েকজন অধিবাসীর সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানিয়েছে আল জাজিরা।
ইরানের কৌশলটাই মূলত এমন— ইসরায়েলিদের কোনো বিশ্রাম বা শান্তিতে থাকতে না দেওয়া। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অবশ্য বলছে যে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিটিকেই হয় গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে অথবা সেগুলো ফাঁকা জায়গায় পড়েছে। এখন পর্যন্ত তারা কোনো হতাহতের কথাও জানায়নি।
তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠিক কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করছে, তা মূল্যায়ন করা খুব কঠিন। কারণ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী চায় না যে সাংবাদিকরা হামলার স্থানগুলোতে ছুটে যান। তারা এটাও চায় না যে সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোনে ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিক। তাই আসলে কোন কোন জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে, বা আদৌ কোনো কিছুতে আঘাত লেগেছে কি না, তা জানা বেশ কঠিন।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



