
গত রাতে উত্তর ইরাকের সুলাইমানিয়ায় একসময় জাতিসংঘের ব্যবহৃত একটি ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। কুর্দি অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনটিতে ড্রোন নাকি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে তারা এ-ও জানিয়েছেন যে, ভবনটিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন বলে ইরান সন্দেহ করছে।
এদিকে, কুর্দি অঞ্চলে অবস্থানরত ইরানের বিরোধী দলগুলোর ঘাঁটিতেও বেশ কয়েকবার ইরানি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের অভিযোগ, উত্তর ইরাকে অবস্থানরত এসব ইরানি বিরোধী গোষ্ঠী ও দলগুলোকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।
অন্যদিকে, ইরাকের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত ইরানপন্থী জোট 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স' দেশটিতে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে। সর্বশেষ হামলাটি চালানো হয় বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত 'ভিক্টরি বেস'-এ, যেখানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট (রসদ সরবরাহ) ও কূটনৈতিক কেন্দ্র রয়েছে। তবে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের কাছে 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স'-এর পাঠানো আরেকটি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করার ঘটনার পরপরই নতুন এই হামলার চেষ্টা চালানো হয়। নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাগদাদের কাছে আবু গারিব এলাকা থেকে তারা ৯টি রকেট এবং একটি লঞ্চপ্যাড (রকেট নিক্ষেপক যন্ত্র) জব্দ করেছে।



