
এই যুদ্ধ চালিয়ে নিতে কংগ্রেসের সম্মতি গ্রহণে ট্রাম্প প্রশাসনকে বাধ্য করার জন্য বেশ কিছু প্রস্তাব (রেজ্যুলেশন) আনা হয়েছে। তবে এসব আইন পাসের সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ সামান্য ব্যবধানে হলেও মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ—সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ—বর্তমানে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।
এটা নিশ্চিত যে, কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই এই প্রস্তাবগুলো ডেমোক্র্যাটদের প্রায় পূর্ণ সমর্থন পাবে। কিন্তু এগুলো পাসের জন্য রিপাবলিকানদের সমর্থনও প্রয়োজন হবে। তাছাড়া, প্রস্তাব পাসের পর প্রেসিডেন্ট যদি এতে ভেটো দেন, তা বাতিল করতে হলে 'ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন' বা যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাবে উভয় কক্ষের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচার করলে, এর সম্ভাবনা আসলে শূন্যের কাছাকাছি। এদিকে, ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত এক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য একদম স্পষ্ট এবং তা পুরোপুরি তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য খুবই সুনির্দিষ্ট: এই অঞ্চলের যেকোনো জায়গায় মার্কিন বাহিনীর জন্য হুমকি হতে পারে বা আঘাত হানতে পারে, ইরানের এমন প্রতিটি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা... আর এটি করতে পারলেই বলা যাবে যে আমাদের 'মিশন সফল' হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমরা এই মিশন সফলভাবে শেষ করতে পারব।”
অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও মিত্রদের সহায়তায় এই যুদ্ধ যেন আর বেশি দূর না ছড়ায়, সে বিষয়ে এই কংগ্রেসম্যানকে বেশ আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য পরিকল্পনা করে রাখি, আর আশা করি সবচেয়ে ভালো কিছুর। আমরা এর উল্টোটা করি না। তবে আমাদের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো—সময় যত গড়াচ্ছে, প্রতি মিনিটে আমরা তাদের [ইরানের] সক্ষমতা ধ্বংস করছি। একই সঙ্গে, আমরা আমাদের নিজেদের সক্ষমতাও আরও বাড়াচ্ছি। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবেই যুক্তরাষ্ট্র যেমন রয়েছে, তেমনি এই অঞ্চলের মিত্ররাও যুক্ত হচ্ছে। আমার মনে হয়, আমরা যা করছি মিত্ররা তার মধ্যে এক ধরনের যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছে; তাছাড়া এই অঞ্চলের ওইসব মিত্র দেশগুলোর ওপর ইরানের আক্রমণের কারণেও তারা আমাদের সাথে রয়েছে।"
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



