
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ তিন সদস্যের একটি কাউন্সিল বর্তমানে ইরান পরিচালনা করছে। অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা বহাল থাকবে। গতকাল আমরা খবর পেয়েছিলাম যে, কোম শহরে এই পরিষদের একটি ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, এটি একটি পুরনো ভবন এবং সেখানে নতুন নেতা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম চলছিল না। ওই হামলায় হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সম্পর্কে এখনো কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
তাই এই মুহূর্তে সবাই বিশেষজ্ঞ পরিষদের সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সম্ভাব্য কয়েকজনের নামও ইতিমধ্যে শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশটির নেতৃত্ব বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ, আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিবসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতি দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক অংশের মধ্যকার জটিল সম্পর্ককে আরও গভীর করে তুলেছে। ফলে সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটিতে এখন এক অত্যন্ত জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



