
রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় চারজন উত্তরদাতার মধ্যে মাত্র একজন সমর্থন জানিয়েছেন। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৪৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তাঁরা এই যুদ্ধের বিপক্ষে, আর ২৯ শতাংশ বলেছেন তাঁরা এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।
রিপাবলিকানদের মধ্যে সমর্থনের হার কিছুটা বেশি হলেও তা খুব একটা জোরালো নয়। ৫৫ শতাংশ রিপাবলিকান এই হামলাকে সমর্থন করেছেন, ১৩ শতাংশ এর বিপক্ষে মত দিয়েছেন এবং ৩২ শতাংশ নিশ্চিত নন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রায় ৪২ শতাংশ রিপাবলিকান বলেছেন, এই অভিযানের ফলে যদি "মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনারা নিহত বা আহত হয়", তবে তাঁদের সমর্থনের সম্ভাবনা কমে যাবে।
মার্কিন সিনেটর অ্যাডাম শিফ জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের ইরানে হামলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত করতে অন্য আইনপ্রণেতাদের সাথে যোগ দিয়ে ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ বা যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির আয়োজন করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে শিফ বলেন, "যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে—প্রেসিডেন্টের নয়।"
তিনি আরও বলেন, "আমি সিনেটর টিম কেইন, র্যান্ড পল এবং চাক শুমারের সাথে যোগ দিয়ে আমাদের যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণে বাধ্য করব। আমরা স্পষ্ট করতে চাই: আমাদের সেনাবাহিনী ব্যবহারের জন্য কংগ্রেস কোনো অনুমোদন দেয়নি।" যদি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং সিনেটে এই প্রস্তাব পাস হয়, তবে ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার জন্য প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারেন। এই ভেটো আটকাতে হলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন হবে, যা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, শুধুমাত্র কংগ্রেসেরই যুদ্ধ ঘোষণা করার অধিকার রয়েছে।



