
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ আমেরিকা ও ইসরায়েলের নেতাদের উদ্দেশে কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন: “তোমরা নোংরা অপরাধী। ইরানের ওপর চালানো এই হামলার জন্য তোমরা এমন ধ্বংসাত্মক আঘাত পাবে যে, শেষে নিজেরাই এসে আমাদের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে বাধ্য হবে।”
শনিবার হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম কোনো শীর্ষস্থানীয় ইরানি কর্মকর্তা সরাসরি টেলিভিশনে ভাষণ দিলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সীমালংঘনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তোমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমারেখা অতিক্রম করেছ এবং এর মূল্য তোমাদের দিতেই হবে। আমরা এমন ধ্বংসাত্মক পাল্টা আঘাত হানব যে, তোমরা নিজেরাই প্রাণভিক্ষা চাইতে বাধ্য হবে।”
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির হত্যাকাণ্ডকে ‘মহাঅপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই হত্যার কঠোর জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, “এই জঘন্য অপরাধ বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না। এটি মুসলিম বিশ্ব ও শিয়া ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এই মহান নেতার পবিত্র রক্ত খরস্রোতা ঝর্ণার মতো প্রবাহিত হয়ে মার্কিন ও জায়নবাদী (ইসরায়েলি) নিপীড়ন এবং অপরাধকে সমূলে উৎপাটিত করবে।”
বিবৃতিতে আরও যোগ করা হয়, “এবারও আমরা আমাদের পূর্ণ শক্তি, দৃঢ় সংকল্প এবং মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সমর্থন নিয়ে—এই মহাঅপরাধের হোতা ও নির্দেশদাতাদের তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত করতে বাধ্য করব।” ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান দেশজুড়ে সাত দিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছেন।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



