
তেহরানের রাজপথে এখন মানুষের ঢল। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই হাজার হাজার মানুষ শোকে আচ্ছন্ন হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। কেউ কাঁদছেন, কেউ আকাশের দিকে হাত তুলে দোয়া করছেন। সরকার ইতোমধ্যে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। আগামী দিনগুলোতে রাষ্ট্রীয় শোক-সভা, জানাজা ও স্মরণসভার আয়োজন হবে। কিন্তু সেই শোকানুষ্ঠানগুলো হবে বোমার গর্জন আর বিস্ফোরণের আলোয়।
দেশজুড়ে হামলা অব্যাহত। কয়েক ঘণ্টা আগেও তেহরানে একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছিল আকাশ-বাতাস। ইরান আজ একসঙ্গে দুটি যুদ্ধে লিপ্ত—একটি শত্রুর বোমার বিরুদ্ধে, আরেকটি তাদের সর্বোচ্চ নেতাকে হারানোর অপূরণীয় শোকে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার মতো অনেক মানুষ যেমন আছেন, তেমনি অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে দেখার মানুষেরও অভাব নেই। তবে দিনশেষে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র এবং ইসলামি বিপ্লবের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ও অবস্থানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। বিপ্লবের আগে এবং পরে—উভয় সময়েই তিনি ছিলেন অত্যন্ত কেন্দ্রীয় এবং প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে তাঁকে ইসলামি বিপ্লবের ‘শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই



