
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার উনকোটি জেলায় পূজা ও মেলার চাঁদা দাবি নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৫-৬ জন আহত হয়েছেন, পাশাপাশি কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন ওই এলাকায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) ত্রিপুরা পুলিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর আনন্দবাজারের।
স্থানীয় পুলিশ ও সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৪-২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহ্যবাহী ‘ভৈরব মেলা’-র প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুমারঘাটের কিছু এলাকায় চাঁদা সংগ্রহ চলছিল। শনিবার সাইদারপার গ্রামে মোসাব্বির আলীর কাঠবোঝাই গাড়ি আটকানো হলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে শিমুলতলা এলাকায় একটি পরিবার চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে উত্তেজনা সাম্প্রদায়িক সংঘাতে রূপ নেয়।
উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ঘরবাড়ি ও দোকানে আগুন দেয় এবং একটি উপাসনালয় ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর কুমারঘাট মহকুমায় জেলা প্রশাসন কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে। পুলিশ লাঠিচার্জের মাধ্যমে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে এবং ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস (টিএসআর) ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নজরদারির জন্য ড্রোন ব্যবহৃত হচ্ছে।
ত্রিপুরা পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে কমপক্ষে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। গুজব ও উসকানিমূলক পোস্ট রোধে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী ‘ফ্ল্যাগ মার্চ’ পরিচালনা করছে।
এমকে/আরটিএনএন



