
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছর এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান শামীমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার ১৬ নম্বর আসামি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া এবং ১৭ নম্বর আসামি সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান শামীম। তারা উভয়ই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এছাড়া সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বি গ্লোরিয়াস, মো. আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার টগর এবং দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন—প্রত্যেককে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ ও মাসুদুল হাসানকে ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
শাস্তি বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মামলার অন্যতম সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অবস্থান সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিপরীতে ছিল এবং তা ছিল মারমুখী। তিনি মনে করেন, সে সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হত্যাচেষ্টার মতো ঘটনাগুলোর বিবেচনায় শাস্তি তুলনামূলক কম হয়েছে।
আবু সাঈদের সহযোদ্ধা আলবীর বলেন, এই রায়ে তিনি একেবারেই সন্তুষ্ট নন। তার মতে, আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে যারা বিভিন্নভাবে জড়িত ছিল, তাদের জন্য আরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। তিনি আদালতের কাছে শাস্তি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।



