সিট সংকট, রেজিস্ট্রার ভবনের প্রশাসনিক অসঙ্গতি এবং শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ডাকসু।
সিট সংকট, রেজিস্ট্রার ভবনের প্রশাসনিক অসঙ্গতি এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির প্রতিবাদে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ডাকসু।ছবি: আরটিএনএন

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সিট সংকট, রেজিস্ট্রার ভবনের প্রশাসনিক অসঙ্গতি এবং শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি উত্থাপন করেন।

প্রথম দাবিতে বলা হয়, সিট বরাদ্দে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ২০২৫–২৬, ২০২৪–২৫ এবং ২০২৩–২৪ সেশনের যেসব নবাগত শিক্ষার্থী এখনো হলে সিট পায়নি, তাদের জন্য দ্রুত সিট বরাদ্দের সার্কুলার প্রকাশ করতে হবে। যেসব হলে এখনো সার্কুলার দেওয়া হয়নি, সেগুলোকেও একই নির্দেশনার আওতায় আনতে হবে।

দ্বিতীয় দাবিতে রেজিস্ট্রার ভবনের প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। দায়িত্বে অবহেলা বা অফিস ফাঁকি দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে দুই মাসের মধ্যে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।

তৃতীয় দাবিতে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সিট সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়। এতে কোন শিক্ষার্থী কোন মানদণ্ডে, কোন হলে, কোন কক্ষে এবং কোন সেশনে সিট পেয়েছে—তার বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের হলে অবস্থান বন্ধ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়।

চতুর্থ দাবিতে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ সিট বরাদ্দ বাতিলের দাবি জানানো হয়। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫–০৬ সেশনসহ প্রায় ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে কোনো নীতিমালা ছাড়াই সিট দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ উল্লেখ করে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তা বাতিলের দাবি জানায় ডাকসু।

WhatsApp Image 2026-04-20 at 2-49-43 PM

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।