
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে জয়পুরহাট শহরের ফুটপাতগুলোতে বসেছে টুপির অস্থায়ী দোকান। জমে উঠেছে ক্রেতাদের ভিড়। প্রতি বছর ঈদের আমেজে ধর্মপ্রিয় মুসলমানদের মধ্যে এক আলাদা উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়, যেখানে ঈদের নামাজের জন্য নতুন টুপি কেনা অনেকের কাছে একটি বিশেষ আনন্দের বিষয় হয়ে ওঠে।
রাস্তার পাশে সাজানো এসব দোকানে বিভিন্ন রঙ ও নকশার টুপি বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। নতুন পোশাকের পাশাপাশি ঈদের নামাজের জন্য নতুন টুপি কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। সাদা ও বিভিন্ন রঙের টুপি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে। এছাড়া, নেপালি টুপি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা বর্তমানে ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।
এছাড়াও, দোকানগুলোতে বিভিন্ন ধরনের আতর ও সুগন্ধি বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভ্যাম্পায়ার ব্লাড (Vampire Blood), সফ্ট (Soft), এবং ডি লাভ (D Love) আতরের চাহিদা বর্তমানে আকাশচুম্বী, বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনদের মধ্যে।

দোকানে ক্রয় করতে আসা ক্রেতারা জানান, “ঈদের আনন্দকে ঘিরে নতুন পোশাকের পাশাপাশি টুপি কেনা অনেকের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর বর্তমানে বাজেট ফ্রেন্ডলি হওয়ায় অনেকটাই সুবিধা হয়েছে।”
বিক্রেতারা জানান, “ঈদ আসলে সকলেই চায় নতুন পোশাকের সাথে নতুন টুপি মাথায় দিয়ে নামাজ পড়তে যাবে। ঈদের সিজনে টুপির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। আজকে (শুক্রবার) ছুটির দিন হওয়ায় অন্যান্য দিনের তুলনায় ক্রেতারা সবথেকে বেশি এসেছেন।”
মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিমরা ঈদের আনন্দ উদযাপন করেন। ঈদের দিন মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায়, একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। ঈদের আনন্দের পাশাপাশি ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও দানের শিক্ষা দেয়।
ঈদের এই আনন্দে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণ যেন থাকে, সে জন্য ইসলাম ধর্মে যাকাতুল ফিতরের বিধান রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে এসব অস্থায়ী দোকান জমে উঠেছে এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া মিলছে।



