
চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রায় এক লাখ শিশু হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আসছে। আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে ১০ মে পর্যন্ত এ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দীন আহমেদ।
তিনি জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ১ লাখ ৩০৫ জন শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে। জেলার মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ ৮৭ হাজার ১২ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, অ্যাডভোকেসি সভা, কো-অর্ডিনেশন মিটিং এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
জেলায় মোট ৯৮০টি টিকাদান কেন্দ্র থাকবে, যার মধ্যে ৮টি স্থায়ী কেন্দ্র। এ কার্যক্রমে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৩৪১ জন কর্মী এবং প্রায় ১ হাজার ৯৯৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, সর্বশেষ ২০২০ সালে জেলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। চলতি বছরে আবারও এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে চুয়াডাঙ্গায় হাম উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালে ৪২ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং বর্তমানে ৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সব শিশুকে টিকার আওতায় এনে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার ইমরান হাফিজ, মেডিকেল অফিসার ডা. শামিমা ইয়াসমিন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব-এর সভাপতি নাজমুল হক স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনিসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।



