
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে বলে জানা যায়।
বুধবার (১১ মার্চ) অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান সেখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৭ মার্চ) সকালে রায়পুর ইউনিয়নের বাড়ির পাশের জমিতে হাঁস চরাচ্ছিলেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী। এ সময় রাসেল হোসেন (২২) তাকে জাপটে ধরে পাশের ড্রাগন বাগানে টেনে নিয়ে যান। ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় রাসেল ধারালো ‘দা’ দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। ভুক্তভোগীর দুই হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়। পরে ভুক্তভোগীর মেয়ে ও শ্যালিকা ঘটনাস্থলে চিৎকার করলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। অভিযুক্ত রাসেল হোসেন (২২) ওই গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে এবং তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ভুক্তভোগীর স্বামী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কবির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছুদিন আগে এক প্রভাবশালী নেতার মদদে আমার ওপর হামলা হয়েছিল। এবার আমার স্ত্রীকে টার্গেট করা হয়েছে। আমরা এখন সপরিবারে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা চাই এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার।’
জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান সেখ আরটিএনএনকে বলেন, শনিবার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামীর অভিযোগে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এমন অপরাধের ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।



